বৃন্দাবন

বৃন্দাবন ( pronunciation (·তথ্য)) হল ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মথুরা জেলার অন্তর্গত একটি শহর। হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, কৃষ্ণ এখানে নিজের ছেলেবেলা কাটিয়েছিলেন। শহরটি কৃষ্ণের জন্মস্থান হিসেবে কথিত জেলাসদর মথুরা থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে আগ্রা-দিল্লি হাইওয়ের (২ নং জাতীয় সড়ক) উপর অবস্থিত। বৃন্দাবন শহরে রাধা ও কৃষ্ণের অনেকগুলি মন্দির আছে। হিন্দু ধর্মের বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের কাছে এটি একটি পবিত্র তীর্থস্থান।

নাম-ব্যুৎপত্তি

সংস্কৃত ভাষায় 'বৃন্দাবন' কথাটি এসেছে 'বৃন্দা' (তুলসী) ও 'বন' (অরণ্য) শব্দদুটি থেকে। নিধুবন ও সেবাকুঞ্জে দুটি ছোটো তুলসীবন এখনও বিদ্যমান।

ইতিহাস

বৃন্দাবন একটি প্রাচীন শহর। এই শহর হিন্দু ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত এবং হিন্দুধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এই শহরের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির একটি হল গোবিন্দদেব মন্দির। এটি ১৫৯০ সালে নির্মিত হয়। সেই শতাব্দীরই গোড়ার দিকে বৃন্দাবন একটি শহর হিসেবে গড়ে ওঠে। বৃন্দাবনের আদি অবস্থান কোথায় ছিল, তা ১৬শ শতাব্দীর আগে মানুষ ভুলে গিয়েছিল। চৈতন্য মহাপ্রভু এই স্থান পুনরাবিষ্কার করেন। ১৫১৫ সালে কৃষ্ণের বাল্যলীলার স্থানগুলি নির্ধারণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে চৈতন্য মহাপ্রভু বৃন্দাবনে এসেছিলেন। কথিত আছে, তিনি দিব্য প্রেমের আধ্যাত্মিক ভাবে আচ্ছন্ন হয়ে বিভিন্ন পবিত্র বনে পরিভ্রমণ করেছিলেন। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, তিনি তাঁর দৈব আধ্যাত্মিক শক্তির মাধ্যমে বৃন্দাবন ও তার চারপাশে যে সকল স্থানে কৃষ্ণ তাঁর বাল্যলীলা করেছিলেন বলে মনে করা হয়, সেগুলি আবিষ্কার করেন।

মীরা বাই মেবার রাজ্য পরিত্যাগ করে তীর্থযাত্রা করতে করতে বৃন্দাবনে আসেন। তিনি জীবনের শেষ ১৪ বছর বৃন্দাবনেই কাটান। যে মন্দিরে তিনি ছিলেন সেটি এখন 'প্রাচীন মীরাবাই' নামে পরিচিত।

বিগত ২৫০ বছরে বৃন্দাবনের অধিকাংশ বনই নগরায়ণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই নগরায়ণ প্রথম শুরু করেন স্থানীয় রাজারা। পরবর্তীকালে সেই কাজ চালিয়ে নিয়ে যান গৃহনির্মাতা সংস্থাগুলি। শুধুমাত্র কয়েকটি স্থান ছাড়া বাকি অঞ্চলের বনাঞ্চল স্থানীয় ময়ূর, গরু, বাঁদর ও বিভিন্ন ধরনের পাখি সহ বিলুপ্ত হয়। শহরে এখন অল্প ময়ূরই দেখা যায়। তবে বাঁদর ও গরু শহরের সর্বত্রই দেখা যায়।

ভূগোল

বৃন্দাবন অক্ষ-দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা ১৭০ মিটার (৫৫৭ ফুট)।

জনপরিসংখ্যান

২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, বৃন্দাবনের জনসংখ্যা ৫৬,৬১৮। জনসংখ্যা ৫৬% পুরুষ ও ৪৪% নারী। বৃন্দাবনের সাক্ষরতার গড় হার ৬৫%, যা জাতীয় গড় হার ৭৪.০৪%-এর কম। বৃন্দাবনে জনসংখ্যার ১৩%-এর বয়স ৬ বছরের নিচে।

ধর্মীয় ঐতিহ্য

মূল নিবন্ধ: কৃষ্ণ

হিন্দুধর্মের বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের কাছে বৃন্দাবন একটি পবিত্র তীর্থস্থান। এটি কৃষ্ণ উপাসনার একটি কেন্দ্র। বৃন্দাবন, গোবর্ধন ও গোকুল কৃষ্ণের জীবনের সঙ্গে যুক্ত। কৃষ্ণের ভক্তেরা প্রতি বছর এই স্থানে তীর্থযাত্রায় আসেন এবং বিভিন্ন উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। ভাগবত পুরাণ অনুসারে, কৃষ্ণ গোপীদের গ্রাম গোকুলে তাঁর পালক পিতামাতা নন্দ ও যশোদার গৃহে পালিত হয়েছিলেন। উক্ত পুরাণ অনুসারে, কৃষ্ণ বৃন্দাবনের বনেই রাসলীলা ও অন্যান্য বাল্যলীলা করেন। তাঁর দাদা বলরাম ও অন্যান্য রাখাল বালকদের সঙ্গে তিনি এখানে দুষ্টুমি করে বেড়াতেন।

মন্দির

  • মদনমোহন মন্দির - মুলতানের রাজা কাপুর রাম দাস কালীয়দমন ঘাটের কাছে মদনমোহন মন্দিরটি নির্মাণ করেন। এটি বৃন্দাবনের অন্যতম প্রাচীন মন্দির। চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের সঙ্গে এই মন্দিরটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে এই মন্দিরের আদি মদনগোপাল বিগ্রহটি নিরাপত্তাজনিত কারণে রাজস্থানের কারাউলিতে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে এই মন্দিরে মূল বিগ্রহের একটি প্রতিমূর্তি পূজিত হয়।
  • মীরা বাই মন্দির - নিধিবনের কাছে শাহজি মন্দিরের দক্ষিণ দিকে মীরা বাই মন্দিরটি অবস্থিত। এই মন্দিরটি মীরা বাইয়ের মন্দির। কোনো কোনো জীবনীগ্রন্থে বলা হয়েছে, ১৫৪৭ সালে দ্বারকায় মীরা বাই সশরীরে দ্বারকায় কৃষ্ণ বিগ্রহে বিলীন হয়ে যান। তবে গবেষকরা এই কিংবদন্তির ঐতিহাসিকতা স্বীকার করেন না। তবে একথা সত্য যে, মীরা বাই কৃষ্ণ-উপাসনা নিয়েই থাকতেন এবং তাঁর রচিত ভজনগুলি তাঁকে ভক্তি আন্দোলন যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্ত-কবির স্বীকৃতি এনে দিয়েছিল।
  • বাঁকেবিহারী মন্দির - স্বামী হরিদাস নিধিবন থেকে বাঁকেবিহারীর বিগ্রহটি আবিষ্কার করার পর ১৮৬২ সালে বাঁকেবিহারী মন্দির নির্মিত হয়।
  • প্রেম মন্দির - বৃন্দাবনের উপকণ্ঠে ৫৪ একর জমির উপর প্রেম মন্দিরটি নির্মিত। এটি প্রতিষ্ঠা করেন কৃপালু মহারাজ। মূল মন্দিরটি শ্বেতপাথরে নির্মিত এবং সেখানে কৃষ্ণের বহু মূর্তি খোদিত রয়েছে।
  • রাধাবল্লভ মন্দির - হরিবংশ মহাপ্রভু রাধাবল্লভ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরের বেদীতে কৃষ্ণের বিগ্রহের পাশে রাধার একটি মুকুট রাখা থাকে।
  • জয়পুর মন্দির - জয়পুরের মহারাজ দ্বিতীয় সাওয়াই মাধো সিং ১৯১৭ সালে রাধামাধব মন্দির বা জয়পুর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।
  • রাধারমণ মন্দির - গোপাল ভট্ট গোস্বামীর অনুরোধে রাধারমণ মন্দির নির্মিত হয়। এই মন্দিরে কৃষ্ণের একটি শালগ্রাম বিগ্রহ রয়েছে।
  • শাহজি মন্দির - ১৮৭৬ সালে লখনউয়ের শাহ কুন্দন লাল এই মন্দিরের নকশা করেন এবং মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরটি অনন্য স্থাপত্যশৈলী ও শ্বেতপাথরের সুন্দর ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত। মন্দিরে বারোটি সর্পিল স্তম্ভ রয়েছে। প্রত্যেকটি স্তম্ভের উচ্চতা ১৫ ফুট। এছাড়া মন্দিরে বেলজিয়াম কাঁচের ঝাড়বাতি ও তৈলচিত্র সমন্বিত একটি হলঘরও আছে।
  • রঙ্গজি মন্দির - ১৮৫১ সালে নির্মিত রঙ্গজি মন্দির বিষ্ণুর অন্যতম রূপ রঙ্গনাথ বা রঙ্গজির প্রতি উৎসর্গিত। এই মন্দিরে বিষ্ণু অনন্তশায়ী ভঙ্গিমায় পূজিত হন। মন্দিরটি দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। এতে একটি ছয় তলা গোপুরম ও ৫০ ফুট উঁচু ধ্বজা স্তম্ভ রয়েছে। প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে মন্দিরে ব্রহ্মোৎসব উপলক্ষ্যে মন্দিরের উদ্যানে রথযাত্রা আয়োজিত হয়।
  • গোবিন্দদেব মন্দির -.১৫৯০ সালে মুঘল সম্রাট আকবরের দান করা লাল বেলেপাথর দিয়ে রাজা মানসিংহ সাত তলা উঁচু গোবিন্দদেব মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। আওরঙ্গজেব এই মন্দিরটি ধ্বংস করে দেন।
  • রাধাদামোদর মন্দির - ১৫৪২ সালে বৃন্দাবনের ষড়গোস্বামী কর্তৃক সেবাকুঞ্জে রাধাদামোদর মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • কাত্যায়নী মন্দির ও ভূতেশ্বর মহাদেব মন্দির - রঙ্গনাথ মন্দিরের কাছে রাধাবাগে কাত্যায়নী মন্দির অবস্থিত। এটি একটি শক্তিপীঠ। কথিত আছে, এখানে দেবী সতীর আঙটি পড়েছিল।
  • চিন্তাহরণ হনুমান মন্দির - অটলবনের কাছে অবস্থিত চিন্তাহরণ হনুমান মন্দিরটি হল হনুমানের মন্দির।

অন্যান্য পবিত্র স্থান

বৃন্দাবনের অন্যান্য পবিত্র স্থানগুলি হল সেবাকুঞ্জ, কেশীঘাট, শ্রীজি মন্দির, যুগলকিশোর মন্দির, লালবাবু মন্দির, রাজঘাট, কুসুম সরোবর, ইমলিতল, কালীয়ঘাট, রমণরেতি, বরাহঘাট, চিরঘাট, স্বামী হরিদাসের সমাধি। স্বামী হরিদাসের সম্মানে তাঁর সমাধিতে প্রতি বছর একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সম্মেলনে ভারতের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞেরা গান পরিবেশন করেন। সেবাকুঞ্জ রক্ষণাবেক্ষণ করে ব্রজ ফাউন্ডেশন।

"বিধবার নগরী"

বৃন্দাবন "বিধবার নগরী" নামেও পরিচিত। কারণ, স্বামীর মৃত্যুর পর বহুসংখ্যক বিধবা বৃন্দাবন ও পারিপার্শ্বিক অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করেন। এই অঞ্চলে প্রায় ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ বিধবা বাস করেন। এঁরা ভজনাশ্রমগুলিতে ভজন গেয়ে সময় কাটান। অবহেলিত নারী ও শিশুদের সাহায্যার্থে বৃন্দাবনে গিল্ড অফ সার্ভিস নামে একটি সংস্থা গঠিত হয়েছে। একটি সরকারি সমীক্ষার প্রতিবেদন অনুসারে, এই শহরে সরকার ও বিভিন এনজিও বিধবাদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম পরিচালনা করে।

আরও দেখুন

  • রাধাবল্লভ
  • বৃন্দাবন সোসাইটি
  • গিরি গোবর্ধন
  • স্বয়ং ভগবান

বহিঃসংযোগ

উইকিভ্রমণ থেকে ভ্রমণ নির্দেশিকা

Listed in the following categories:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
টিপস এবং ইঙ্গিতগুলি
দ্বারা ব্যবস্থা:
Jitendra S
7 October 2011
The Ultimate place that's a symbol of Goddess Radha's love for Lord Krishna n various stories of them, historic too. A city of temples, officially has more than 5500 temples. U'll hear Radhe Radhe :-)
Ankit Mathur
18 June 2011
Mor Bhavan is a good place to stay. Its decent and in budget too. Ask the Car parking caretakers for the way if you don't know. Helpful people they are
Gayle Lawrence
9 March 2013
I personally don't like to go on Friday because they only have the Ekadashi fasting menu. Every other day is great!
Aditya Gupta
9 September 2013
Do visit Banke Bihari Temple, Prem Mandir, Iskon Temple, Ranganathan Mandir and few more places but beware of Panda/Pandits. They will ask you to show 51 temples for Rs. 51 or so. DO NOT HIRE THEM.
Brij Wale
9 November 2017
Vrindavan Pilgrimage is Easy to Plan with Brijwale.com http://www.brijwale.com/city/vrindavan/tour-packages-and-tourist-information/
Maria Las
22 February 2017
Молитвенный город, много храмов, в одном из главных есть кафе с европейским печеньем. Туристов пускаю не во все храмы. Посетите маркет!
Hotel Shubham Majesty

$33 starting থেকে শুরু হচ্ছে

Hotel Basera Brij Bhoomi

$27 starting থেকে শুরু হচ্ছে

OYO 10708 Hotel Shree Krishna Spritual Stay

$13 starting থেকে শুরু হচ্ছে

Hotel Skd sar kamala dham

$24 starting থেকে শুরু হচ্ছে

Bharti Guest House

$14 starting থেকে শুরু হচ্ছে

Divine calling

$31 starting থেকে শুরু হচ্ছে

প্রস্তাবিত দর্শনীয় স্থানগুলি কাছাকাছি

সবগুলো দেখ সবগুলো দেখ
চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
গোবর্ধন গিরি

মথুরা থেকে ৩০ কিমি দূরে গোবর্ধন পর্বত অবস্থিত ।

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
আকবরের সমাধিসৌধ

আকবরের সমাধিসৌধ মুঘল স্থাপত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
ফতেপুর সিকরি

ফতেপুর সিকরি ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রা জেলার একটি শহর। সাল ১৫৭১ থেক

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
বুলন্দ দরওয়াজা

বুলন্দ দরওয়াজা ভারতের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। বিশ্বের উচ্চতম

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
আগ্রা ফোর্ট

আগ্ৰা ফোৰ্ট (হিন্দি: आगरा का किला, ইংরেজি: Agra Fort) বা আগ্ৰ

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
Musamman Burj

Musamman Burj also known as the Saman Burj or the Shah-burj, is a

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
তাজমহল

তাজ মহল (হিন্দি: ताज महल, উর্দু: تاج محل) ভারতের আগ্রায় অবস

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
বুদ্ধ ইন্টারন্যাশনাল সার্কিট

বুদ্ধ ইন্টারন্যাশনাল সার্কিট (English. Buddh International

অনুরূপ পর্যটন আকর্ষণ

সবগুলো দেখ সবগুলো দেখ
চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
Palatine Hill

The Palatine Hill (Latin: Collis Palatium or Mons Palatinus) is the

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
Dodona

Dodona (from Doric Greek Δωδώνα, Ionic Greek: Δωδώνη, Dòdònè) in

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
Basilica di Santa Maria Maggiore

The Papal Basilica of Saint Mary Major (Italian: Basilica Papale di

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
দলমাবাচ প্রাসাদ

দলমাবা’চ প্রাসাদ (ইংরেজি: Dolmabahçe Palac

চাহিদাপত্রে যোগ করা
আমি এখানে ছিলাম
পরিদর্শন
Maiden's Tower

Maiden's Tower (Türkçe. 'Kız Kulesi'), also known in the ancient Gr

অনুরূপ সমস্ত স্থান দেখুন